নিউজ ইউ এ পি অনলাইন ডেস্ক: বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল নতুন রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, দল পরিচালনার ক্ষেত্রে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং দীর্ঘদিন সংগঠন গড়ে তোলা কর্মীদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।(Anubrata Mondal)
একটি বৈঠকে তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বীরভূম জেলা সভাপতি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়ে অনুব্রত বলেন, “৩৪ বছরের সিপিএমকে আমি বীরভূম ও বর্ধমান থেকে সরিয়েছি। কিন্তু আইপ্যাকের কিছু লোক দলটাকে শেষ করে দিল। মানুষ চিনতে ভুল হয়েছে। যারা মাঠে নেমে দল তৈরি করেছে, তাদের ভুলে যাওয়া হয়েছে।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও অনুযোগ
একসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ‘কেষ্ট’ বলে সম্বোধন করতেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে অনুব্রত বলেন, “আমি যখন জেলে ছিলাম, তখনও আমার নাম করে ভোট হয়েছে। কিন্তু আমাকে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানো হল কেন? আমার অন্যায়টা কোথায়?”
তিনি আরও দাবি করেন, ২০০৯, ২০১৪, ২০১৬ এবং ২০২১ সালের নির্বাচনে বীরভূমে দলের সাফল্যের পিছনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
‘দলের সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’
তীব্র সমালোচনার মাঝেও অনুব্রত জানান, “দলের সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি তাঁর সঙ্গেই কথা বলব। দলটা উনিই তৈরি করেছিলেন। অভিভাবক হিসেবে তাঁর বোঝা উচিত ছিল যে দল ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীও আইপ্যাকের জন্য দল ছেড়েছিলেন।”
কাজল শেখের সমর্থন
বৈঠকে অনুব্রতের নাম প্রস্তাব হওয়ার পর তাতে সমর্থন জানান কাজল শেখ। এ প্রসঙ্গে অনুব্রত বলেন, “যার যত যোগ্যতা, তাকে তত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি নিজের মতো সংগঠন করি। বীরভূমের মানুষ আমার সঙ্গেই আছে।”
তবে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
গুরুত্বপূর্ণ: আপনি যে তথ্যটি দিয়েছেন, তাতে অনুব্রত মণ্ডল তৃণমূল ছেড়ে ‘নব তৃণমূলে’ যোগ দিয়েছেন—এমন একটি বড় রাজনৈতিক দাবি রয়েছে। এই তথ্যের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং এটি বর্তমানে জনসমক্ষে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত নয়। তাই সংবাদ লেখার ক্ষেত্রে ‘দাবি’, ‘অভিযোগ’, ‘বলেন’, ‘জানান’ ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হল, যাতে তা সাংবাদিকতার দৃষ্টিতে ভারসাম্যপূর্ণ থাকে।
