নিউজ ইউ এ পি অনলাইন ডেস্ক: নেপালি ভাষার আদিকবি ভানুভক্ত আচার্য-র জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রবিবার শিলিগুড়িতে পালিত হল এক বর্ণাঢ্য ও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ, সাংস্কৃতিক সংগঠন, ছাত্রছাত্রী ও বিশিষ্টজনেরা এই উদ্যাপনে অংশ নেন। সকালে কৃষ্ণমায়া হাই স্কুল থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীরা নেপালি সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরেন। ঢাক, বাদ্যযন্ত্র ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শোভাযাত্রাটি শহর পরিক্রমা করে শিলিগুড়ি টার্মিনাস এলাকায় অবস্থিত ভানুভক্ত আচার্যের মূর্তির পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাল্যদান ও স্মরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।(Bhanu Bhakta Acharya)
দিনবন্ধু মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
শোভাযাত্রা শেষে দিনবন্ধু মঞ্চ-এ আয়োজিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নেপালি গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে কবি ভানুভক্ত আচার্যের সাহিত্যকীর্তি ও নেপালি ভাষার ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়।
উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজনেরা
অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের গুণীজনের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রাজু বিস্ত। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “ভানুভক্ত আচার্য শুধু নেপালি ভাষার কবি নন, তিনি সমগ্র ভারতীয় সাহিত্যজগতের গর্ব। তাঁর সাহিত্য আজও নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে।”
উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা নেপালি ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে ভানুভক্ত আচার্যের অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং আগামী প্রজন্মের কাছে তাঁর সাহিত্য পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
নেপালি সংস্কৃতির মিলনমেলা
শিলিগুড়িতে ভানুভক্ত জয়ন্তীর এই উদ্যাপন কার্যত নেপালি সংস্কৃতির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। শহরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়। নেপালি ভাষার আদিকবি ভানুভক্ত আচার্য-র জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রবিবার শিলিগুড়িতে পালিত হল এক বর্ণাঢ্য ও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ, সাংস্কৃতিক সংগঠন, ছাত্রছাত্রী ও বিশিষ্টজনেরা এই উদ্যাপনে অংশ নেন। সকালে কৃষ্ণমায়া হাই স্কুল থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীরা নেপালি সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরেন। ঢাক, বাদ্যযন্ত্র ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শোভাযাত্রাটি শহর পরিক্রমা করে শিলিগুড়ি টার্মিনাস এলাকায় অবস্থিত ভানুভক্ত আচার্যের মূর্তির পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়।
