https://newsuap.news/wp-content/uploads/2026/07/hedar-1-1.jpg

Ritabrata Bandyopadhyay | ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েও কালীঘাট তৃণমূলের ধর্নায় মদন! বিধানসভায় কুণাল-মদনের খুনসুটি ঘিরে জোর চর্চা

নিউজ ইউ এ পি অনলাইন ডেস্ক: শিবিরবদলের পর প্রথমবার তৃণমূলের কর্মসূচিতে মদন মিত্র; কুণাল ঘোষের খোঁচা, পাল্টা জবাবে হাসির রোল। রাজনৈতিক শিবির বদলের পরেও বিধানসভায় এক ভিন্ন ছবি।  ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ার পর শুক্রবার আচমকাই কালীঘাট তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচিতে হাজির হন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। আর তাঁকে ঘিরেই শুরু হয় জল্পনা, কৌতূহল এবং হাসি-ঠাট্টার পর্ব।কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে এবং সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনের সমর্থনে বিধানসভা চত্বরে ধর্নায় বসেছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কেরা। (Ritabrata Bandyopadhyay)

এদিন নিট (NEET) ইস্যুতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে এবং সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলনের সমর্থনে বিধানসভা চত্বরে ধর্নায় বসেছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কেরা। সেই সময় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘর থেকে বেরিয়ে সরাসরি ধর্নাস্থলে পৌঁছে যান মদন মিত্র। তাঁর পরনে ছিল হালকা গেরুয়া রঙের পাঞ্জাবি।

বুধবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে যোগ দিয়েছিলেন একসময়ের তৃণমূলের অন্যতম পরিচিত মুখ মদন মিত্র। ফলে শিবিরবদলের মাত্র দু’দিনের মাথায় তাঁকে তৃণমূলের কর্মসূচিতে দেখে উপস্থিত অনেকেই বিস্মিত হন।

মদনকে দেখে রসিকতার সুরে কুণাল ঘোষ বলেন,
“মদনদা শারীরিক ভাবে ওই দিকে গিয়েছে। কিন্তু মন অন্য দিকে পড়ে রয়েছে। কাপুরুষের মতো ইডি দিয়ে বৌদি আর ছেলেদের নোটিস দিয়েছে। মদনদা ভাল থাকুক। দু-চার দিন যা মন চায়, প্রাণ চায় বলুক। আমরা জানছি, আমাদের ভিতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল।”

কুণালের মন্তব্য শুনে হাসিমুখেই প্রতিক্রিয়া জানান মদন। পরে প্রবীণ তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে মজা করে বলেন, “আমি চাই শোভনদা আগামী ১০ বছর বিরোধী আসনে বসুক।”

মদনের এই মন্তব্যে হেসে ফেলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। জবাবে তিনি বলেন, “১০ বছর বিরোধী আসনে বসব! এটা কী বললি? আবার আসিব ফিরে।”

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও বিধানসভার এই হালকা মুহূর্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।