https://newsuap.news/wp-content/uploads/2026/07/hedar-1-1.jpg

New Town | নিউটাউনের গেস্ট হাউসে রাতভর তল্লাশি, উদ্ধার ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা; আটক ৭

নিউজ ইউ এ পি অনলাইন ডেস্ক: নিউটাউনের একটি গেস্ট হাউসে রাতভর তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার করল বিধাননগর পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার জেরে সাত জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।(New Town )

বিধাননগর পুলিশের সাইবার অপরাধ দমন শাখা এবং গোয়েন্দা বিভাগের যৌথ অভিযানে এই সাফল্য মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তদন্তকারীরা সোমবার গভীর রাতে গেস্ট হাউসে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করেন। অভিযোগ ছিল, সেখানে সাইবার প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত টাকার লেনদেন চলছে।

রাতভর চলল তল্লাশি

পুলিশ সূত্রে খবর, তল্লাশি শুরু হওয়ার পর গেস্ট হাউসের বিভিন্ন কক্ষ খতিয়ে দেখা হয়। একাধিক ব্যাগ ও আলমারি থেকে বান্ডিলবন্দি নগদ টাকা উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ গুনে দেখা গেলে তা ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকায় পৌঁছয়।

তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন এই টাকা কোথা থেকে এসেছে, কারা সেখানে রেখেছিল এবং কী উদ্দেশ্যে ওই গেস্ট হাউসে মজুত করা হয়েছিল।

হাওয়ালা যোগের সন্দেহ

প্রাথমিক তদন্তে হাওয়ালা চক্রের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। ওই টাকা অন্য রাজ্যে বা বিদেশে পাচারের পরিকল্পনা ছিল কি না, তা নিয়েও অনুসন্ধান চলছে। আটক সাত জনের মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সাইবার প্রতারণার টাকার সূত্র?

তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, সাইবার জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ এখানে জমা করা হত কি না, সেই দিকটিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন প্রতারণা, ভুয়ো কল সেন্টার এবং ডিজিটাল লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক মামলার সঙ্গে এই টাকার কোনও যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জিজ্ঞাসাবাদে মিলতে পারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েক জন গেস্ট হাউসের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, জিজ্ঞাসাবাদ থেকে টাকার উৎস এবং সম্ভাব্য লেনদেন চক্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।

বিধাননগর পুলিশ এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে কারও গ্রেফতারের কথা ঘোষণা করেনি। তদন্তের স্বার্থে একাধিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।