নিউজ ইউ এ পি অনলাইন ডেস্ক: কলকাতার লেকটাউন থানার এলাকায় এক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে রবিবার বিধাননগর আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।(Molestation Allegation Private Tutor)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগে পড়াশোনার জন্য ছাত্রীকে নিজের বাড়িতে ডেকেছিলেন ওই গৃহশিক্ষক। অভিযোগ, সেখানে পড়ানোর অজুহাতে তাঁর সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। পানীয়ের সঙ্গে মাদকজাতীয় কিছু মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিবারের দাবি, ওই পানীয় পান করার পর ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি অভিভাবকদের জানান। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে লেকটাউন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।রবিবার ধৃতকে বিধাননগর আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় তদন্তকারী অফিসাররা। আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত দাবি করেন, তিনি নির্দোষ এবং তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযোগে উল্লিখিত সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ফরেন্সিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।পরিবারের পক্ষ থেকে লেকটাউন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।রবিবার ধৃতকে বিধাননগর আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় তদন্তকারী অফিসাররা।
পরিবারের দাবি, ওই পানীয় পান করার পর ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি অভিভাবকদের জানান। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে লেকটাউন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।রবিবার ধৃতকে বিধাননগর আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় তদন্তকারী অফিসাররা। আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত দাবি করেন, তিনি নির্দোষ এবং তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। অভিযোগে উল্লিখিত সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ফরেন্সিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।পরিবারের পক্ষ থেকে লেকটাউন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।রবিবার ধৃতকে বিধাননগর আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় তদন্তকারী অফিসাররা।
