https://newsuap.news/wp-content/uploads/2026/07/hedar-1-1.jpg

SiliguriKolkata | ‘স্যর না থাকলে লালবাতি জ্বালাবেন না’, শিলিগুড়ি ও কলকাতায় ট্রাফিক পুলিশের মুখে নতুন মন্ত্রীরা!

নিউজ ইউ এ পি অনলাইন ডেস্ক: রাজ্যের নতুন মন্ত্রীসভা গঠনের পর প্রশাসনিক স্তরে যেমন নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে, তেমনই রাস্তায় রাস্তায় দেখা যাচ্ছে কিছু মজার ঘটনাও। সম্প্রতি শিলিগুড়ির খাপরাইল ও কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে দুই মন্ত্রীকে ঘিরে এমনই দুই ঘটনা এখন প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।(SiliguriKolkata)

খাপরাইলে ‘স্যর কোথায়?’

কয়েকদিন আগে মাটিগাড়ার খাপরাইল এলাকায় একটি লালবাতি লাগানো ভিআইপি গাড়ি দেখে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ সেটিকে থামিয়ে দেন। গাড়ির কাচ নামতেই তিনি চালককে বলেন—

“স্যর না থাকলে লালবাতি জ্বালাবেন না!”

চালক তখন কিছুটা বিস্মিত হয়ে জানান, মন্ত্রী নিজেই পিছনের আসনে বসে আছেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশকর্মী হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে নেন।

মন্ত্রী অবশ্য পরিস্থিতিকে হালকা হাসির মধ্যেই নিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

পার্ক স্ট্রিটেও একই কাণ্ড

এর কিছুদিন পর কলকাতার পার্ক স্ট্রিট মোড়েও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। এমএলএ হস্টেল থেকে বেরিয়ে লালবাতি লাগানো গাড়িতে যাচ্ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী আনন্দময় বর্মন

সেখানেও ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি থামিয়ে চালককে একই সতর্কবার্তা দেন—

“গাড়িতে মন্ত্রী না থাকলে লালবাতি জ্বালাবেন না।”

পরে মন্ত্রীর পরিচয় জানার পর পুলিশকর্মী ক্ষমা চেয়ে নেন।

মন্ত্রী কী বললেন?

সহজ প্রতিক্রিয়া
“এটা সাধারণ ঘটনা। সবাই তো নতুন মন্ত্রীদের একদিনে চিনে ফেলবেন না। উনি নিজের ডিউটিই করছিলেন।” — আনন্দময় বর্মন

প্রশাসনের নতুন বাস্তবতা

রাজনৈতিক মহলের মতে, নতুন মন্ত্রীসভা গঠনের পর প্রশাসনের নীচুতলার কর্মীদের কাছে সব মন্ত্রীর মুখ এখনও পুরোপুরি পরিচিত হয়ে ওঠেনি। ফলে লালবাতি লাগানো গাড়ি দেখলেই এখন ট্রাফিক পুলিশকর্মীরা আরও সতর্ক হয়ে যাচ্ছেন।

এক অর্থে এই ঘটনাগুলি দেখিয়ে দিল, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনেক পুলিশকর্মী পরিচয়ের চেয়ে নিয়মকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর সেই কারণেই রাস্তায় এখন নতুন এক প্রশ্ন ঘুরছে—

“ভিতরে আসল স্যর আছেন তো?”