https://newsuap.news/wp-content/uploads/2026/07/hedar-1-1.jpg

BJP Leader | বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে মাসে ১০ লক্ষ টাকা তোলা চাওয়ার অভিযোগ, মারধরে শ্রবণশক্তি ক্ষতির দাবি ব্যবসায়ীর

নিউজ ইউ এ পি অনলাইন ডেস্ক: শিলিগুড়ির এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী প্রবীণ মুদ্রা বিজেপির ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতি হিরমল শা ও তাঁর দুই সঙ্গীর বিরুদ্ধে ভক্তিনগর থানায় গুরুতর অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ, নির্মীয়মাণ প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যেতে প্রতি মাসে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে মারধর করা হয় এবং সেই ঘটনায় তিনি ৪০ শতাংশ শ্রবণশক্তি হারিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। অভিযুক্ত বিজেপি নেতা অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ভক্তিনগর থানা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।(BJP Leader)

…………………………………………………………………..

কী অভিযোগ?

ব্যবসায়ী প্রবীণ মুদ্রার অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ভক্তিনগর থানা এলাকার জ্যোতিনগর-এ একটি নির্মীয়মাণ সাইট পরিদর্শনে যান। সেখানে কয়েকজন যুবক রড, চেন ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগে তিনি জানিয়েছেন, সাইটে ঢোকার পর তাঁকে ঘিরে ধরে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

“টাকা না দিলে ওরা সাইটের বাকি কাজ করতে দেবে না বলে হুঁশিয়ারি দেয়। এমনকি প্রাণে মারারও হুমকি দেয়,” — অভিযোগ প্রবীণ মুদ্রার।
…………………………………………………………………………………………

মারধরের অভিযোগ

ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করলে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। মারধরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লাগে এবং বিশেষ করে কানে গুরুতর চোট পান।

প্রথমে তাঁকে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল-এ নিয়ে যাওয়া হয়। পরে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়।

“অডিওমেট্রি টেস্টের পর জানতে পারি, আমি ৪০ শতাংশ শ্রবণশক্তি হারিয়েছি,” — দাবি ব্যবসায়ীর।
……………………………………………………………………………………………………………

অভিযুক্তের বক্তব্য

হিরমল শা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,

“ওয়ার্ড মাস্টারের সঙ্গে বিজেপির কিছু ছেলে সহযোগিতার জন্য থাকে। একটি সাইটের নর্দমা অবরুদ্ধ হওয়াকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়েছিল। পরে খবর পেয়ে আমি সেখানে যাই এবং প্রবীণ মুদ্রার সঙ্গে কথা বলি। তবে মারধরের অভিযোগ ঠিক নয়।”
…………………………………………………………………………………………

পুলিশি তদন্ত শুরু

ভক্তিনগর থানার পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি, উপস্থিত ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং চিকিৎসার নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনাকে ঘিরে শিলিগুড়ির ব্যবসায়ী মহল ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।